আমরা কে, কেন তৈরি হয়েছিলাম, এবং কেন বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন 365abc বেছে নেন – সব কিছু এক জায়গায়।
365abc একটি অনলাইন বেটিং ও লাইভ ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম যেটি বিশেষভাবে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা ভেবে তৈরি করা হয়েছে। নামটাই বলে দেয় – বছরের ৩৬৫ দিন, A থেকে Z পর্যন্ত সব ধরনের গেমিং অভিজ্ঞতা একটি জায়গায়।
আমাদের প্ল্যাটফর্ম চালু হওয়ার পেছনে একটা সহজ উপলব্ধি ছিল – বাংলাদেশে খেলাধুলার প্রতি মানুষের ভালোবাসা অপরিসীম, কিন্তু অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো কখনো সেই মানুষগুলোর কথা ভাবেনি। ভাষার বাধা, পেমেন্টের জটিলতা, বিদেশি অভিজ্ঞতার চাপ – সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে অনলাইন বেটিং ছিল অনেকটাই অপ্রাপ্য।
365abc সেই দূরত্ব ঘুচিয়েছে। সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস, bKash ও Nagad-এ সরাসরি লেনদেন, বাংলায় কথা বলা সাপোর্ট এজেন্ট – এই সব মিলিয়ে 365abc এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে স্থানীয় অনুভূতির আন্তর্জাতিক মানের গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং উপভোগ্য অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ঢাকার ব্যস্ত অফিসকর্মী থেকে শুরু করে সিলেটের চা বাগানের শ্রমিক – 365abc চায় যে প্রযুক্তির সুবিধা সবার কাছে সমান সহজলভ্য হোক।
আমাদের প্ল্যাটফর্মকে আলাদা করে তোলার কারণগুলো
২০২১ সালে যখন 365abc-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজার ছিল অনেকটাই অগোছালো। কিছু বিদেশি সাইট ছিল যেগুলোতে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা বেট করতেন, কিন্তু সেখানে ভাষার সমস্যা থেকে শুরু করে পেমেন্টের জটিলতা – সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা কখনো সম্পূর্ণ সন্তোষজনক ছিল না।
365abc-এর প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাই ক্রিকেটপ্রেমী। BPL মৌসুমে বেট করতে গিয়ে তারা বারবার হতাশার মুখে পড়েছেন। bKash দিয়ে ডিপোজিট হয় না, সাপোর্টে ইংরেজিতে কথা বলতে হয়, মোবাইলে সাইট খুললে ঠিকমতো লোড হয় না – এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই জন্ম নিয়েছে 365abc।
শুরুতে 365abc শুধু স্পোর্টস বেটিংয়ে ফোকাস করেছিল। কিন্তু ব্যবহারকারীদের চাহিদার সাথে সাথে প্ল্যাটফর্মটি বড় হয়েছে। লাইভ ক্যাসিনো যোগ হয়েছে, তারপর স্লট গেম, ভার্চুয়াল স্পোর্টস। প্রতিটি নতুন ফিচার যোগের পেছনে ছিল ব্যবহারকারীদের মতামত এবং বাংলাদেশের বাজারের বাস্তব চাহিদা।
এখন 365abc-এ প্রতিমাসে লক্ষাধিক বেট রাখা হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা – সারাদেশ থেকে মানুষ ব্যবহার করছেন। BPL মৌসুমে টাইগারদের ম্যাচের দিন 365abc-এর সার্ভার রেকর্ড পরিমাণ ট্র্যাফিক সামলায়। এই বিশ্বাস অর্জন সহজ ছিল না, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে 365abc এখানে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের প্রতি দেশের মানুষের যে অনুরাগ, সেটা 365abc-কে অনুপ্রাণিত করে। তামিম, সাকিব, মাহমুদুল্লাহর মতো খেলোয়াড়রা যে আবেগ নিয়ে মাঠে নামেন, সেই একই আবেগ আমরা চাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিফলিত হোক। 365abc শুধু একটি বেটিং সাইট নয় – এটি বাংলাদেশের স্পোর্টস কমিউনিটির একটি অংশ হতে চায়।
ভবিষ্যতে 365abc আরও বড় হওয়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন গেম, নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি, আরও বেশি স্থানীয় টুর্নামেন্ট কভারেজ – এই সব নিয়ে কাজ চলছে। তবে মূল নীতি একটাই থাকবে: বাংলাদেশের মানুষের কথা সবার আগে ভাবা।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের বিষয়েও 365abc সচেতন। আমরা বিশ্বাস করি যে বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম, আসক্তির নয়। তাই প্ল্যাটফর্মে নিজের সীমা নিজেই নির্ধারণ করার টুল রয়েছে – দৈনিক বা সাপ্তাহিক ডিপোজিট লিমিট সেট করা, প্রয়োজনে অ্যাকাউন্টে বিরতি দেওয়া, সব কিছুই ব্যবহারকারীর নিজের হাতে।
365abc যে নীতিগুলো মেনে চলে
365abc-এর পেছনে যারা প্রতিদিন কাজ করেন
উপরের চারজনের বাইরে 365abc-এ আরও ১৫০ জনেরও বেশি কর্মী রয়েছেন – সফটওয়্যার ডেভেলপার, ডেটা বিশ্লেষক, সাপোর্ট এজেন্ট, সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ। এদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা রাখেন। এই দলটাই 365abc-এর আসল শক্তি।
365abc বিশ্বাস করে যে বেটিং হওয়া উচিত জীবনের বিনোদনের একটি ছোট অংশ, পুরো জীবনকে গ্রাস করার কিছু নয়। আমরা সক্রিয়ভাবে এমন টুল সরবরাহ করি যা ব্যবহারকারীকে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।
365abc সম্পর্কে প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো
নিবন্ধন করুন বিনামূল্যে, প্রথম ডিপোজিটে ১৫০% বোনাস পান এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেটিং কমিউনিটির সাথে যুক্ত হন।